বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানকারী বিশেষ বিশেষ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তাদের অবদানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার বীরশ্রেষ্ঠ, বীর-উত্তম, বীর বিক্রম ও বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করেন। বীরবিক্রম তৃতীয় সর্বোচ্চ উপাধি। মোট ১৭৫ জনকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ ।
২১.১১.২০১৮
ঢাকা সেনানিবাস।

আব্দুস সবুর খান বীরবিক্রম সহ ৩৫ জনের একদল মুক্তিযোদ্ধা নদীর ঘাটে ওত পেতে বসে আছেন। সবার হাত অস্ত্রের ট্রিগারে দৃষ্টি সামনে। কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই সেখানে উপস্থিত হলো ছয়-সাতজন পাক হানাদার বাহিনী। একটু পর এলো আরো দশ বারোজন পাকিস্তানি সেনা। এখন তারা পুরোপুরি মুক্তিযোদ্ধাদের হাতের নাগালে। আব্দুস সবুর খান এবং তার সহযোদ্ধারা সংকেত পেয়ে একযোগে গুলি শুরু করলেন। প্রথম ধাক্কায় চারজন পাকিস্তানি সেনা নদীতে গড়িয়ে পড়ল। তিনজন পড়ে রইল নদীর পাড়ে, একটু পর বেঁচে যাওয়া পাকিস্তানি সেনারাও গুলি শুরু করল। মেশিনগান ২ ইঞ্চি তিন ইঞ্চি মর্টার ও রকেট লাঞ্চারের গোলাগুলিতে চারদিক প্রকম্পিত হতে লাগলো। প্রায় আধা ঘন্টা একনাগারে যুদ্ধ চলল, তারপর থেমে থেমে চলল আড়াই ঘন্টার মত। এ যুদ্ধে আব্দুস সবুর খান বীরত্বের পরিচয় দেন। তিনি নদীর পাড়ে একবার ডানে একবার বাঁয়ে গিয়ে এবং দৌড়াদৌড়ি করে প্রায় তিন ঘন্টা গুলি চালান।আধা মাইল জুড়ে মুক্তিবাহিনী অবস্থান নিয়েছে-পাকিস্তানি সেনাদের এরকম ধোকা দেওয়াই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। বিশৃংখল পাকিস্তানি সেনারা সেখান থেকে পালিয়ে গেল। এ ঘটনা ৭১ সালের ১৭ই জুন সকালে ঘটেছিল টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার পশ্চিমে কামুটিয়ায়। সূত্র ৭১ এর বীরযোদ্ধা খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, প্রথম খন্ড, প্রথমা প্রকাশন ঢাকা ২০১২

মহান মুক্তিযুদ্ধের তিন কিংবদন্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা! বামে ডঃ নুরুন্নবী, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম ও আমার মরহুম বাবা আব্দুস সবুর খান বীরবিক্রম। ছবির সময়কাল - ১৯৭১

২৪ শে জানুয়ারী ১৯৭২, জাতির পিতার কাছে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ। টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে

Add Your Heading Text Here

মহান মুক্তিযুদ্ধে নাগরপুর টাঙ্গাইলে সম্মুখ যুদ্ধে বুকে গুলীবিদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন মাঝে, বায়ে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান, ডানে আমার মরহুম বাবা আব্দুস সবুর খান বীরবিক্রম।
১৯৯৭ সালের ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে ঢাকা সেনানিবাসে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক সম্মাননা প্রদান।
কিছুদিন আগে অসুস্থ আমাকে দেখতে আমার অফিসে, কাদেরীয়া বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম,বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতিক। 3 August 2018
মহান স্বাধীনতা দিবসে জেলা প্রশাসক মহোদয় হতে পুরস্কার গ্রহণ।
মহান মে দিবসের আলোচনা সভায়।
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্র বাহিনীর প্রধানের হাত থেকে স্বর্ণ পদক পেয়েছেন কি-না জানি না! তবে আমার বাপে লেঃ জেনারেল অরোরার (মিত্র বাহিনীর প্রধান) হাত থেকে গোল্ড মেডেল পেয়েছেন। এটি অবশ্যই টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনীর জন্য তথা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য ঐতিহাসিক ঘটনা। কিন্তু বিশ্বাস করেন কোথাও কোনো যাদুঘর বা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর কোথাও স্থান পায়নি। চিন্তা করছি নিজের সংগ্রহের ভান্ডারে যা আছে, তা দিয়েই একটা ছোট্ট গ্যালারী করে নতুন প্রজন্মের কাছে প্রদর্শন করবো ইনশাআল্লাহ। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধ যেনো কল্প কাহিনি মনে না হয়! এক সাগর রক্তের বিনিময়ে লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমাদের আজকের স্বাধীনতা। বায়ে মিত্র বাহিনীর প্রধান, লেঃ জেনারেল অরোরা, মাঝে আমার বাবা আব্দুস সবুর খান বীরবিক্রম ও ডানে সান সিং বাবাজী।
Shopping Cart
Scroll to Top

Schedule Appointment

Fill out the form below, and we will be in touch shortly.
Contact Information
Business Information
Preferred Date and Time Selection